Posts

Image
এক নজরে জ্যামিতিক সকল সংজ্ঞা ❑ সূক্ষ্মকোণ (Acute angle) : এক সমকোণ (90) অপেক্ষা ছোট কোণকে সূক্ষকোণ বলে।   ❑ সমকোণ (Right angle) : একটি সরল রেখার উপর অন্য একটি লম্ব টানলে এবং লম্বের দু’পাশে অবস্থিত ভূমি সংলগ্ন কোণ দুটি সমান হলে, প্রতিটি কোণকে সমকোণ বলে। এক সমকোণ=90   ❑ স্থূলকোণ (Obtuse angle) : এক সমকোণ অপেক্ষা বড় বিন্তু দুই সমকোণ অপেক্ষা ছোট কোণকে সথূলকোণ বলে।   ❑ প্রবৃদ্ধকোণ (Reflex angle) : দুই সমকোণ অপেক্ষা বড় কিন্তু চার সমকোণ অপেক্ষা ছোট কোণকে প্রবদ্ধ কোণ বলে। অর্থাৎ 360 > x 180 হলে x একটি প্রবৃদ্ধ কোণ।   ❑ সরলকোণ (Straight angle) : দু’টি সরল রেখাপরস্পর সম্পর্ণ বিপরীত দিকে গমন করলে রেখাটির দু’পাশে যে কোণ উৎপন্ন হয় তাকে সরলকোণ বলে। সরলকোণ দুই সমকোণের সমান বা 180   ❑ বিপ্রতীপকোণ (Vertically Opposite angle ) : দু’টি সরল রেখা পরস্পর ছে...

জানা অজানা কথা :নওগাঁর গাঁজার ইতিহাস

Image
গাঁজা ভারতীয় উপমহাদেশের প্রাচীন কৃষিজাত দ্রব্যের মধ্যে অন্যতম। জনশ্রুতি আছে ১৭২২ সাল নাগাদ এই এলাকায় প্রথম গাঁজার চাষ শুরু হয় নওগাঁ সদর উপজেলার মুরাদপুর গ্রামে। আবার অনেকেই বলেন, ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির আমলে গাঁজা চাষ শুরু হয়। যাই হোক, অধিক লাভজনক হওয়ায় ১৮৭৭ সাল নাগাদ এই অঞ্চলে গাঁজাচাষ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। গাঁজা সোসাইটির সাবেক কার্যালয়,নওগাঁ ১৮৭৬ সালে ব্রিটিশ সরকার গাঁজা উৎপাদন, ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য লাইসেন্স প্রথা চালু করে। অর্থাৎ লাইসেন্সে নির্ধারিত জমি ছাড়া অন্য জমিতে গাঁজা চাষ করা যাবে না। গাঁজা উৎপাদনকে কেন্দ্র করে ১৯১৭ সালে ‘নওগাঁ গাঁজা কাল্টিভেটরস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লি.’ নামে একটি সমবায় সমিতি গঠিত হয় এবং সে বছরই সমিতিটি সমবায় অধিদপ্তরের নিবন্ধনপ্রাপ্ত হয়। এভাবে ভিত্তি রচিত হয় উপমহাদেশের বৃহত্তম সমবায় সমিতির। জন্মলগ্নে সোসাইটির সদস্য সংখ্যা ছিল ১৮ জন। অবাক করা ব্যাপার পরে এর সদস্য সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় ৭ হাজারে। সংরক্ষিত পরিবেশে গাঁজা চাষ করা হতো। বছরের জুন-জুলাই ছিল চারা তৈরির মাস। উঁচু মজবুত বাঁশ বা কাঠের বেড়া দিয়ে বীজতলা তৈরি করা হতো। বেড়ার চারপাশে চৌকি নির...

মেডিটেশন শৃঙ্খল মুক্তির পথ

Image
সুস্থ , সুন্দর ও সার্থক জীবনের জন্যে প্রয়োজন পূর্ণাঙ্গ জীবনদৃষ্টি । সমকালীন মানুষের মূল সমস্যা এখানেই । সকল চিন্তা একদেশদর্শিতার আবর্তে ঘুরপাক খাচ্ছে । একজন একাউন্টেন্ট মনে করেন হিসাববিজ্ঞান দিয়েই তিনি সকল সমস্যার সমাধান করবেন , প্রকৌশলী মনে করেন তার প্রযুক্তি - জ্ঞানই জীবনের সমস্যার সমাধান করবে । চিকিৎসক মনে করেন ওষুধ খেলে বা অপারেশন করলেই শরীরের সমস্যা দূর হয়ে যাবে । আমলা মনে করেন সমস্যা সমাধানের চাবিকাঠি তারই হাতে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বিশেষ কোনো বিষয়ে ডক্টরেট করে মনে করেন পৃথিবীর সকল জ্ঞান তার আয়ত্তে চলে এসেছে। একজন আলেম , পুরোহিত মনে করেন ধর্মাচারই সব সমস্যার সমাধান করবে। একজন তরুণ বা তরুণী মনে করে বহুজাতিক কোম্পানির একটা চাকরি পেলে জীবনের সকল সমস্যা দূর হয়ে যাবে। কিন্তু সার্থক ও পরিতৃপ্ত জীবন আর এই ভাবনাগুলোর মধ্যে ব্যবধান এক সমুদ্রের। সাধারণ মানুষ এই ব্যবধান অতিক্রম করতে না পারার কারণেই রোগ , শোক ও হতাশায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। অথচ সবকিছু মিলিয়েই ...